১২/০৮/২০২৬-এই একটা বাক্য আপনার পার্সোনালিটি বদলে

এই একটা বাক্য আপনার পার্সোনালিটি বদলে দিতে পারে। কখনও খেয়াল করে দেখেছেন, সরি বলা সহজ কিন্তু আমি ভুল হতে পারি এই কথাটা শুনতেও কতটা অদ্ভুত লাগে? কারন আমরা নিজেরাও এটা বলি না, কাউকে বলতেও শুনি না। আর সোস্যাল মিডিয়ার যুগে তো ইম্পসিবল। কিন্তু বাক্যটা আপনাকে একজন ভালো মানুষে পরিনত করতে পারে। যেমন, ধরেন আপনি কোনো একটা কথা বললেন, আর কেউ একজন পুরুপুরি ডিজএগ্রি করলো। তখন কি হয় জানেন? আপনার ব্রেনে একটা সুইচ অন হয়। ইগোর সুইচ। এটার নাম ইগো প্রোটেকটিভ কগনিশন। আপনার ব্রেন আপনার সেলফ ইমেজকে প্রোটেক্ট করছে। ঠিক যেমন আমাদের ইম্মিউন সিস্টেম আমাদেরকে রোগ বালাই থেকে প্রোটেক্ট করে। আপনার ব্রেন সেভাবে “আমি ভুল” এই ফিলিংসটা থেকে আপনাকে প্রোটেক্ট করে। কিন্তু কেনো? ব্রেনের কাছে ভুল হয়ে যাওয়া মানে আমি তাহলে বোকা? আমি কি তাহলে জানি না? এই ফিলিংটা।

এটা একটা থ্রেটের মতো মনে হবে। পার্সোনাল থ্রেট। তাই আপনার ব্রেন অটোমেটিক্যালী ডিফেন্ড মুডে চলে যায়। আর কন্টিনিউয়াসলি কাউন্তার আর্গুমেন্ট খোজে। যখন কেউ আমাদের ভুল ধরে বা ভুল প্রমান করার চেষ্টা করে আমরা উলটা আমাদের ভুক বিশ্বাসে দৃঢ়ভাবে আটকে থাকি। এটাকে বলে The Backfire Effect. মজার ব্যাপার কি জানেন? আপনি যতটুকু বুদ্ধিমান, আপনার ব্রেন তত বেশী যুক্তি অথবা কুযুক্তি দিয়ে নিজেকে সঠক প্রমান করার চেষ্টা করবে। সোর্স লেজিট হোক অথবা চালাই দেন। এটা যে কোনো সোর্স ব্যবহার করবেই। এটাকে বলে কনফার্মেশন বায়াস। অর্থাৎ আমরা শুধু সেই তথ্য গুলি খুজি যা আমাদের আগের বিশ্বাসকে সাপোর্ট করে। আর বোকাসোকা মানুষ ভালো কিছু বলতে না পেরে হীনম্ন্যতায় ভোগে। Ragebait এর শিকার হয়ে উলটাপালটা বকে। আপনি বোকা হন বা চালাক, এই রি-এক্ট এন্ড ডিফেন্ড করার অভ্যাসটা মোটেই সাস্থকর না। এটা আপনার পার্সোনাল পিস নষ্ট করে। সবাই সুগার কোটিং করে ক্রিটিসাইজ করে না, এটাই স্বাভাবিক। Sometimes people are just mean and sometimes they are constructive, so lets discuss ক্রিটিসিজম কিভাবে নেবেন এবং কিভাবে ক্রিটিসিজমের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেবেন। ক্রিটিসিজমকে দুইভাগে ভাগ করা হয়েছে-(১) নয়েজ জাস্ট পিউর ঘেন্না। এবিউজিব কমেন্টস ইত্যাদি। কিছু মানুষ এম্নিতেই আরেকজঙ্কে ঘেন্না করে, কওনো কারন নাই। এটা তাদের চরিত্র। এটা নিয়ে মাথা ঘামানোর কিছুই নাই। জাস্ট তাদেরকে এড়িয়ে চলেন।

আপনার তথ্যে গ্যাপ আছে, অথবা আপনার কথাগুলি ইনকমপ্লিট, এই কথাগুলি যারা বলেন, তাদের কথায় একটা যুক্তি আছে, শুনতে তেতো লাগলেও এতাই আসল গিফট। যা পরে আপনার রাগ লাগে সেটাই নয়েজ আর যেটা পরে আপনার মনে হয় আচ্ছা আমি মনে হয় নতুন কিছু শিখলাম, সেটাই একটা সিগন্যাল। আপনার বিরুদ্ধে গেলেও সেটাই সিগ্ন্যাল। নিজের ভুল স্বীকার করা দুর্বলতা না, বরং এটাই সবচেয়ে Highest form of confidence. কারন এর মানে হলো আপনি আপনার বাইরে গিয়েও একটা সত্যকে শ্রদ্ধা করছেন। আর এতে একটা জিনিষ খোলে যায় যেখানে আপনি আরো ইম্প্রুভ মেন্ট করতে পারেন। আমরা সব সময়ই সঠিক হতে পারি না, কখনো কখনো আমরা ভুল করি। সেটা স্বীকার করে নিন, খোলাখিলি করতে না পারলেও মনে মনেই করেন। শান্তি লাগবে, কিছু শিখতে পারবেন। আর এটাই আপনাকে একজন পরিশুদ্ধ মানুষে পরিনত করবে। ইমোশনালী কাউকে ডিস এগ্রি করার কারনে সাথে সাথেই ডিফেন্সিভ মুডে না গয়ে ১০ সেকেন্ড রুল ফলো করেন, মানে ১০ সেকেন্ড অপেক্ষা করা। আপনার উত্তর পরিবর্তন হয়েও যেতে পারে।