২৭/৬/২০২৬-বিবাহ কোনো নিরবিচ্ছিন্ন বন্ধন নয়

ছোট ভাইয়ের সাথে অনেকক্ষন কথা হলো । ছোট ভাই অনেক বাস্তব ধর্মী কথা বলেন, তাতে কেউ মাইন্ড করুক বা না করুক। উনি ওনার কথা বলে দেন। ব্যাপারটা আমার কাছে ভালো লাগে। কথা হচ্ছিলো কনিকার আমেরিকায় বাড়ি কেনার ব্যাপারে। কনিকা আর ব্রেডি আমেরিকায় একটা বাড়ি কিনতে চায়। একটা বাড়ি পছন্দ করেছেও। দাম প্রায় ৫ লাখ ডলার। কিন্তু ওদের অতো টাকা নাই বিধায় আমি ওদেরকে কিছু ডলার দান করছি। মেয়েই তো। আমি ইতিমধ্যে ১ লাখ ৩০ হাজার ডলার দিয়েছি, আরো দেওয়ার জন্যই ছোট ভাইয়ের সাথে কথা হচ্ছিলো। ছোট ভাই অনেক সময় বাংলাদেশে ডলার পাঠায়, আমি ওনাকে বলেছি যেনো বাংলাদেশে ডলার না পাঠিয়ে কনিকাকে দিয়ে দিতে আর আমি সেই পরিমান ডলারের বিপক্ষে ছোট ভাইকে বাংলাদেশ থেকে বাঙলা টাকা দিয়ে দেবো।  আমার পরিকল্পনা হলো, ওদেরকে আমি ২ লাখ ডলারের মতো দান করবো এবং টাইম টু টাইম যদি সুযোগ থাকে প্রতি বছর আরো কিছু কিছু করে ডলার পাঠাবো যাতে ওরা ৩০ বছরের মর্টগেজ না টেনে ৫ বছরের মধ্যেই সেটা শোধ হয়ে যায়।

ঠিক এখানেই ছোট ভাইয়ে সেই পরামর্শটা। উনি বললেন, আখতার সাহেব, আমেরিকায় বিয়ে কোনো নিবিচ্ছিন্ন বন্ধন নয়। ওরা খুবই ছোট বিশঢয় থেকে ছাড়াছাড়ি হয়ে যায়। আর তখন ওদের জয়েন্ট নামে যে সব স্থাবর অস্থাবর সম্পত্তি আছে তা ৫০-৫০ তে ভাগ করে অতঃপর সেপারেট হয়। এখন কথা হচ্ছে-যখন আপনি ইতিমধ্যে ২ লাখ ডলার মেয়ের কারনে তাদেরকে বাড়ি কিনতে দিলেন, কোনো কারনে যদি তাদের বিবাহ বন্ধন অটুট না থাকে, তাহলে কিন্তু ব্রেডি ইতিমধ্যেই আপনাদের কাছ থেকে ১ লাখ ডলার ফাও পেয়ে গেলো। আর আমেরিকায় কারো কাছে যদি ১ লাখ ডলার ক্যাশ থাকে, সে কিন্তু মহারাজার মতো। আর যদি পুরু বাড়িটা মর্টগেজ ফ্রি হয়ে যায়, তাহলে ৫ লাখ টাকার বাড়ি কিবতু ব্রেডি নিজে আড়াই লাখ ডলারের ক্যাশ মালিক। খুবই বিপদজনক ব্যাপার। অনেক সময় দেখা যায় যে, এই আড়াই লাখ ডলারের কারনেই তাদের বিবাহ বন্ধনে একটা বিপদ হয়ে দাঁড়াবে। কারো কারো পছন্দের মানুষ ওভার টাইম পরিবর্তন হতেই পারে। তখন লসটা করবেন আপ্নারা আর কনিকা।

উপদেশটা আমার পছন্দ হয়েছে আর সেই পরিপ্রেক্ষিতে আমি ভাবছি, আপাতত আর কোনো কন্ট্রিবিউশন করাটা আমার সম্ভবত উচিত হবে না।