
গত জুন ২০২৫ সালে আমেরিকায় গিয়েছিলাম ছোট মেয়েকে দেখতে। তখন সবার বাসায় যারা আমাদের আত্মীয়স্বজন আছে, দেখা করেছি। প্রায় একমাসের একটা লম্বা সফর ছিলো। তারই ধারাবাহিকতায় লিখনের বাসার সামনে আমরা সবাই। লিখন, লুসি, ছোটভাই, ওরা সবাই একই জায়গায় না হলেও সবাই কাছাকাছিই থাকে।

এটা হচ্ছে আমার ছোট মেয়ে আর তার স্বামী ব্রেডি। ব্রেডি কনভার্টেড মুসলমান। অত্যান্ত হিসেবি, কর্মঠ এবং বাস্তব সম্মত একটা ছেলে। কনিকা আর ব্রেডি নিজেরা ভালোবেসেই বিয়ের কথা আমাকে বলেছিলো। ওর নামটা পরিবর্তন করতে গিয়ে পুরু আমেরিকান যতো সিস্টেম ওর সাথে জড়িত, সেগুলি এক নাগাড়ে জটিলতার সৃষ্টি করছিলো বিধায় পরবর্তিতে আমরা ওর নামটা আর পরিবর্তন করি নাই। ব্রেডি স্মিথই রয়ে গেলো।

ছোট মেয়ে, বড় মেয়ে, আমার স্ত্রী এবং আমি। সম্ভবত আমরা এই ছবিটা কোন এক লাউঞ্জে থেকে বের হবার পথে তোলা।



মিটুল (আমার স্ত্রী), পাশে আমার শাশুড়ী, এবং মিটুলের মেঝো ভাই।




আমাদের বিবাহের কয়েকটা ছবির মধ্যে এটা একমাত্র ছবি।

আমার বড় মেয়ে উম্মিকা, বড় ভাই হাবিব ভাইয়ের বড় ছেলে মাসুদ এবং আমার মা।

বাল্টিমোরে ব্রেডির মা রবার্টার সাথে আমরা

ব্রেডির ২য় মা কিম স্মীথ এবং ব্রেডির বাবা এন্ডি স্মীথ

কনিকা আর ব্রেডির বিয়ের আগে ২য় বার পুনরায় ইসলামিক ওয়েতে ব্রেডির ইসলামে শপথ গ্রহন, পাশে আমার ছোত মেয়ে কনিকা। এটা ছোত ভাইয়ের ছেলে ফয়সালের বাসায়।


বিয়ের আগে পবিত্র মসজিদে গিয়ে ইমাম মোহাম্মাদ ফরিদের কাছে ইসলামে বায়াত গ্রহন কালে কনিকা, ফরদ সাহেব এবং ব্রেডি

আমেরিকার কোর্টে বিয়ের হবার ঠিক পরের মুহুর্তে ব্রেডি এবং কনিকা ।










আমার বড় মেয়ে আনিকা তাবাসসুম উম্মিকার শাশুড়ি। অর্থাৎ ডাঃ রাকিব হাসান আবিরের মা।

আমার বড় মেয়ে আনিকা তাবাসসুম উম্মিকার শশুড়, আনিস সাহেব।


এই যে শাল গায়ে দেয়া বুড়ো মানুষটাকে দেখছেন, তার নাম তালুকদার বদ্রুদ্দিন । তার সম্পর্কে বলতে গেলে একটা পরিবারের ইতিহাস বলতে হবে। তিনি আমাদের বংশের কেউ নন কিন্তু সত্যিটা হচ্ছে তিনি আমাদের পরিবারে এমন একটা সময়ে এসেছিলেন যিনি না থাকলে আমাদের অনেক কাজ যেমন সহজ হতো না তেমনি আমাদের আজকের দিনের এই লাইফে আসতে অনেক কষ্ট বেশি হত। উনি এখন আর জীবিত নাই।








