১৯/০৫/২০২৬- নিজকে মুল্য দিতে

আমি একটা জিনিষ খুব সুক্ষভাবে উপল্বধি করেছি যে, যদি নিজকে মুল্য দিতে হয় তাহলে অবিলম্বে কতগুলি কাজ অভ্যাসে পরিনত করা দরকার। আর সেই অভ্যাশ গুলি

আমি অতীত নিয়ে কখনো অনুশোচনা করি না। যা হয়ে গেছে, তা তো হয়েই গেছে। আমি সেটাকে আবার নতুন করে লিখতে পারবো না। কিন্তু আমি সেই অতীত থেকে শিক্ষাটা গ্রহন করি এবং সামনের দিকে এগুতে থাকি। অনুশোচনা মানুষকে ফাদে ফেলে দেয় কিন্তু প্রজ্ঞা মানুষকে মুক্ত করে।

ভবিষ্যত নিয়েও আমি চিন্তা করি না। কারন জীবন এ পর্যন্ত আমার দিকে যা ছুড়ে দিয়েছে, আমি তার সব কিছুতেই টিকে গেছি। এরপর যা আসবে, তা সামলানোর জন্য নিজের শক্তির উপর আমি ভরষা রাখি। আমি ভয়কে প্রশ্রয় দেই না। ভয় সমস্যাকে কপ্লনা করে নিজের চিন্তার ভার বাড়িয়ে দেয় কিন্তু প্রজ্ঞা আমার সমস্যাকে সমাধান করে দেয়।

আমি কখনো অন্য মানুষের মধ্যে সুখ খুজি না। কারন কেউ আমার মধ্যে বা ভিতরে শান্তি বা সুখ স্থাপন করতে পারবে না। সত্যটা হচ্ছে-যদি আমি নিজেই আমার মধ্যে শান্তি খুজে না পাই, তাহলে আমাকে আজীবনকালই শান্তি খুজতেই থাকবো আর সেতা কখনোই পাওয়া যাবে না।

একটা সময় আমি নির্বিচারে সবার জন্য অনেক কিছুই করতে আগ্রহী হইতাম। কিন্তু একটা সময়ে এসে উপলব্ধি করেছি যে, সীমাহীন উদারতা আত্ম-বিশ্বাসঘাতকতায় পরিনিত হয় এবং যাদের জন্য এই অতিরিক্ত কিছু করার প্রবনতা আমার হৃদয়কে তাদের ভালোবাসা থেকে বঞ্চিত করে। তাদের প্রত্যাশা বেড়ে যায়, আর সেখানেই ঘটে চরম ঘটনাটা। আমি যা দেই বা দিতে পারি সেটা দিয়ে আত্মসম্মান বাড়ায় না। বরং আমি যা সহ্য করতে অস্বীকার করি, সেতায় সম্ভবত আমার আত্মসম্মান বারায়। তাই আমি শুধু নিজেকে বেছে নিয়েছি এবং আমার জীবনের সব কিছু তখন থেকে আরো বেশী বদলে যাওয়া শুরু করেছে।