এশিয়ার বড় ক্ষমতাশীল দেশ জাপান সরাসরি ইউক্রেনের পক্ষে এ যাবত কাল সাপোর্ট করে এসছে। যেখানে ইন্ডিয়া নিরপেক্ষ ভুমিকায় এবং চায়নাও প্রো-রাশিয়ান হিসাবে খ্যাত। কিন্তু হটাত করে জাপান কেনো ইউক্রেনের উপর ক্ষিপ্ত হয়ে গেলো?
জাপান অইতিয্য গতভাবে খুব দেশ প্রেমিক। তারা তাদের ইতিহাসের খুব মর্যাদা দেয়। গত ২৮/২৯ এপ্রিলে ইউক্রেন ২য় মহাযুদ্ধ্যের উপর একটা ডকুমেন্টারী ফিল্ম তৈরী করে তাদের সরকারী ওয়েব সাইট এবং টুইটারে আপ লোড করে যেখানে ইউক্রেন রাশিয়াকে ফ্যাসিবাদ উল্লেখ করে ফ্যাসিজিমের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেই যাবে বলে ঘোষনা দেয়। উক্ত ভিডিওতে ২য় মহাযুদ্ধে মোট ৩ ব্যক্তিকে আক্রমন করা হয় ফ্যাসিবাদের চরিত্র হিসাবে। (১) জার্মানীর হিটলার (২) ইতালীর মুসুলিনি (৩) জাপানের প্রধান মন্ত্রী হিরুহিতোকে।
জাপানে সম্রাট বা প্রধানমন্ত্রী হিরোহিতোকে অনেক বেশী সম্মানের সহিত দেখে জাপানিজরা। ইউক্রেনের এই ভিডিও জাপানিজদেরকে উত্তক্ত করে দিয়েছে। জাপানের লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির নেতা মাশাহিয়া সাতো উক্ত ভিডিও এর প্রতিবাদে ইউক্রেনের সরকারকে অবিলম্বে ভিডিও তাদের ওয়েব সাইট এবং টুইটার থেকে সরিয়ে ‘দুক্ষ” প্রকাশ করতে বললে ইউক্রেন ইতিমধ্যে জাপানের নাগরিকের কাছে ‘দুঃখ” প্রকাশ সমেত ভিডিও টি সরিয়ে নিয়ে পরবর্তীতে শুধু মাতে হিটলার এবং মুসুলিনিকে রেখে পুনরায় ভিডিওটি আপ্লোড করেন।
Japan’s Deputy Chief Cabinet Secretary Yoshihiko Isozaki said that “portraying Hitler, Mussolini and Emperor Showa in the same context is completely inappropriate” and “extremely regrettable”. Now, Ukraine is in damage control mode. In response to Masahisa Sato’s remarks, Ukraine said, “Our sincere apologies to @japan for this mistake. We had no intention to offend the friendly people of Japan.”
But now, Japan is unlikely to support Ukraine. Japan is already trying to battle the stigma attached to it since the Second World era and has also been trying to shed post-War pacifism. Now, if a country is going to spread more negativity against it and that too by making negative comments about Hirohito, Japan will not let the matter go lightly.
জাপানের হিরোহিতোকে বাদ দিয়ে পরবর্তীতে যে ভিডিওটি ইউক্রেনের সরকারী টুইট এ দেয়া হয়েছে সেটা দেখতে পারেন।
https://twitter.com/Ukraine/status/1518217114766696449
30/4/2022-হুজুগের বশে অন্যান্য বন্ধুপ্রতীম দেশের নিষেধাজ্ঞায় তাল মিলাইতে গিয়া লাটভিয়া উভয় সংকটে
বাল্টিক ন্যাশনের ছোট একটা দেশ লাটভিয়া। লিথুনিয়া এবং ইস্তোনিয়ার সিদ্ধান্তের সাথে একাত্ম হয়ে হুজুকের বশে লাটভিয়াও রাশিয়ার গ্যাসের উপর নিষেধাজ্ঞা দিয়ে এখন চরম বিপর্য্যের মধ্যে পড়েছে। কারন লাটভিয়া এই নিষেধাজ্ঞা পালন করতে গিয়ে ২৪ ঘন্টায় তার দেশের বেশীর ভাগ সিস্টেম অকেজো হয়ে পড়েছে। লিথুনিয়া এবং ইস্তোনিয়া অনেক বছর আগে থেকেই রাশিয়ার গ্যাসের উপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে আনার জন্য বিকল্প পথ তৈরী করে ফেলেছে যা এখন তারা রাশিয়ার গ্যাস ছাড়াও চলার ক্ষমতা রাখে। কিন্তু লাটভিয়ার ব্যাপারটা একেবারেই ভিন্ন।
মাইগ্রির (Maigre) প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, বাল্টিক দেশগুলির সাথে অন্য কোনো দেশের গ্যাস লাইনের সাথে যুক্ততা নাই, আছে শুধু মাত্র রাশিয়ার সাথে। এমন কি Western European electric grid (UTCE) বা the Scandinavian grid (Nordel) এদের সাথেও বাল্টিক দেশগুলির কোনো যোগাযগ নাই। ফলে গ্যাস না নেয়ার ঘোষনায় লাটভিয়া মাত্র ২৪ ঘন্টার মধ্যেই এখন নিরুপায় হয়ে তাদের দেশ রাশিয়ার সাথে আগামী ৩০ বছরের জন্য রুবল এর মাধ্যমে গ্যাস নেয়ার চুক্তি সম্পন্ন করলো কারন এই ২৪ ঘন্টায় লাটভিয়ার প্রায় অধিকাংশ ইন্ডসাট্রিজের অবস্থা প্রায় থমকে গিয়েছে। ফলে Latvia strikes the deal to preserve its business and economic interests. This indicates that to pull through their economy, Baltic nations are heavily reliant on Russia and it has shown to other European nations that there’s no way out of this Russian gas trap.