Skip to content

Major Mohammad Akhtar Hossain (Retd)

  • Home Page
  • My Diary
    • Her Story
  • International Politics
    • Russia-Ukraine War
    • Bangladesh Defense Journal
  • National Politics
  • Stories
  • Konika-Brady Wedding 2025
  • Menu

Her Story

Pic for Slider0123jpg
Pic for Slider012
Pic for Slider011
Pic for Slider010
Pic for Slider009
Pic for Slider008
Pic for Slider007
Pic for Slider006
Pic for Slider005
Pic for Slider003
Pic for Slider002
Pic for Slider001
previous arrow
next arrow

২২/০২/২০১৬-হ্যাপি

This content is password-protected. To view it, please enter the password below.

২১/০২/২০১৬-স্বপ্নের এক সিঁড়ি

This content is password-protected. To view it, please enter the password below.

১০/০২/২০১৬-অস্বাভাবিক সম্পর্ক

This content is password-protected. To view it, please enter the password below.

১০/০২/২০১৬-নিষিদ্ধ ভালোবাসা

This content is password-protected. To view it, please enter the password below.

০৯/০২/২০১৬-নতুন ভালোবাসা

This content is password-protected. To view it, please enter the password below.

০২/০২/২০০০-নিদ্রিত নিস্তব্ধ অপরাধ

This content is password-protected. To view it, please enter the password below.

০১/০১/২০০০-মিলিনিয়াম ডে

This content is password-protected. To view it, please enter the password below.

০১/০১/২০০০-মিলিনিয়াম নাইট

This content is password-protected. To view it, please enter the password below.

Post navigation

« Previous 1 2

 

Her Story কথা 

একটা কথা সর্বদা আমি মনে রাখতাম যে, কখনো কখনো আমি যা চেয়েছি তা হয়তো পাইনি কিন্তু আমি এটাও জানতাম যে, আমি আমার চাওয়াটা ততক্ষনাত পাইনি মানে এই নয় যে, আমি সেটা আর পাবোই না। প্রকৃত সত্য এটাই যে, সবকিছু তার সঠিক সময়েই হাতে আসে। আর এর জন্য প্রয়োজন হয় কিছু আন্তরীক মানুষের ছোয়া। তাই আমি তাদেরকে কখনোই ভুলি না এবং ভুলবোও না যারা আমার অন্ধকার সময়ে প্রদীপ নিয়ে এসেছিলো আমাকে উদ্ধার করতে নয় বরং শুধু আমার পাশে থাকার জন্য যতোক্ষন না আমি আমার অন্ধকার কাটিয়ে আবার সব কিছু দেখতে পেয়েছিলাম। কিন্তু সেই অসময়ে যারা কাছে আসে এদের মধ্যে সবার ছোয়াই আমাকে যে আমার প্রদীপ মনে হবে সেটাও সঠিক নয় যদিও তারা পাশে এসেই দাঁড়ায়। এদের মধ্যে কেউ থাকে সার্থহীন বন্ধুর মতো, আবার কেউ থাকে শুধু ওত পেতে যেনো সমুলে উতপাটন করে তার ইচ্ছাকে পুরন করার জন্য। কে উত্তম আর কে বন্ধু নয় এটা বুঝার জন্য দরকার সঠিক জ্ঞান। জ্ঞান ঠিক করে দেয় কিভাবে বলতে হবে, মনোভাব ঠিক করে দেয় কতটা বলতে হবে, আর প্রজ্ঞা ঠিক করে দেয় আদৌ কিছু বলতে হবে কিনা। যদি এই জ্ঞান, মনোভাব কিংবা প্রজ্ঞা আমার/আপ্নার মধ্যে না থাকে তাহলে তাহলে খুব সহজেই বিশ্বাসঘাতকদের খপ্পরে পড়ার সম্ভাবনা অধিক। মনে রাখা উচিত যে, যে একবার বিশ্বাসঘাতকতা করেছে, সে বারবার একই কাজ করতে পারে। সমুদ্রের লবনাক্ততা উপলব্ধি করার জন্য পুরু সমুদ্র পান করার প্রয়োজন নাই। ফলে পরইষ্কারভাবে সব দেখার চেষ্টা করন। একটি চিরন্তন প্রবাদ আছে যে, কখনও কখনও কোনো কিছু পরিষ্কারভাবে দেখার জন্য নিজেকে দূরে সরিয়ে নিতে হয়। এটি আমাদের শেখায় যে, কোনো চিত্রকর্মের খুব কাছে দাঁড়ালে তা প্রায়শই শিল্পকর্মটি দেখতে বা বুঝতে আমাদের অন্ধ করে দেয়। পিছিয়ে আসুন। আপনার আবেগ আপনার যুক্তিকে আচ্ছন্ন করে ফেলছে। উত্তরটি কোলাহলের মধ্যে নেই। এটি নীরবতার মধ্যে রয়েছে। দূরত্ব কোনো সমাপ্তি নয়, বরং সত্যকে খুঁজে পাওয়ার একমাত্র পথ। নীরবতা মানুষকে শেখায় যে, সবকিছুরই জবাব সব সময় দেওয়ার প্রয়োজন হয় না, কিছু সত্য প্রকাশ পায় যখন কেউ কথা বলে না। একসময় আমি কথার জন্য অপেক্ষা করতাম, এখন শুনি অনুপস্থিতি। তিক্ত নই… শুধু সচেতন।·      

যখন আমি আমার কাংখিত সফলতা পেয়েছি, তখন আমি আরো একটা কঠিন বাস্তবতার মুখে পড়েছিলাম যে, আমি অনেকের কাছ থেকে অনেক বেশী উপরের স্তরে বা পজিশনে থাকতেই পারি, তার মানে এটা নয় যে, আমি সবার কাছে গ্রহনযোগ্য হয়ে যাবো। এ ব্যাপারে আমার ফিলোসোফি হলো-আমি পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর সবুজ রঙ হতে পারি কিন্তু তা কখনোই যথেষত নয়। যার প্রিয় রঙ নীল বা লাল তার জন্য আমার এই সবচেয়ে সুন্দর সবুজ রঙ ততোটা কাংখিত নয়। এর অর্থ আমি সবার জন্য আসলেই উপযুক্ত নই। আর এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু একটা জায়গায় আপনি সর্বদা উপযুক্ত আর সেটা হচ্ছে- কারো চিন্তায়, কারো প্রার্থনায়, কারো হৃদয়ে আপনি থাকা। আপনি হয়তো সবসময় তা দেখতে পান না, কিন্তু কোথাও না কোথাও কেউ ভালোবাসার সাথে আপনার নাম বহন করছে। আর এর গুরুত্ব আপনার ধারণার চেয়েও বেশি। আমি সব সময় সেটায় থাকতে চেয়েছি, সবুজ রঙ হয়ে নয়। আমি চেষ্টা করেছি স্রোতের বিপরীতে গিয়ে কোনো কিছুকে দেখা। এতে মুদ্রার অন্য পিঠে কি ঘটে বা হয় সেটা উপলব্ধি করা সহজ হয়। কারন মরুভূমি জল সম্পর্কে আপনাকে এমন কিছু শেখায় যা মহাসাগর কখনোই শেখাতে পারবে না। যখন আপনার কম থাকে, তখন আপনি মূল্য বোঝেন, যখন আপনি হারানোর বেদনা অনুভব করেন, তখন আপনি কৃতজ্ঞতা বোঝেন। কঠিন সময় আপনাকে এমন কিছু শেখায় যা আরাম কখনোই শেখাবে না।

তুমি ছিলে আমার স্পেশাল কেউ

যেদিন আমি এই অবিনশ্বর পৃথিবী থেকে চিরতরে বিদায় নেবো, আমার আর কখনো ফেরা হবে না, কোন কিছুই আর আমাকে স্পর্শ করবে না, সেদিন হটাত করেই তোমার হৃদয়ের ভিতরে কন এক অচেনা বেদনায় মনে হবে-আমি তোমার জীবনে কতটুকু গুরুত্বপুর্ন ছিলাম যে প্রতিদিন তোমার খোজ নিতো, প্রতিটি খুচরা মুহুর্তে তোমার কথা ভাবতো। তোমার সেদিন আক্ষরিক অর্থেই মনে হবে, তুমি আমার কাছে কতটা শখের মানুষ ছিলে। সেদিন তুমি বুঝবে এই পৃথিবীতে কেউ তোমার জন্য এতোটা যত্নশিল ছিলো। আমি যেদিন আর এখানে থাকবো না, চলে যাবো, সেদিন তুমি আমাকে কবরস্থানে খুজতে যেও না, আমাকে তুমি খোজো তোমার প্রতিটি শ্বাসরুদ্ধকরী সুর্যোদয়ে। প্রতিটি গানে যা তোমারে অকারনে কাদায়। আমার আত্মারা যেখানেই চলে যাক না কেনো আমি তখনো তোমাকে ভালোবেসেই যাবো। যখন কোনো আত্তা কাউকে এতোটাই ভালোবাসে, সেই আত্মা কখনোই তোমাকে সত্যি ছেড়ে যেতে পারে না। হয়তো তুমি তখন আমার কন্ঠ শুনবে না, তবে মনে রেখো আমার সর্বস্ব দিয়ে আমি তোমাকে আমি ভালোবেসেছিলাম, মায়ায় জড়িয়ে রেখেছিলাম। আমি তোমাকে এমনভাবে সবার থেকে অগ্রাধিকার দিয়েছিলাম যা আমি ভাবিনি আমি অন্য কারো জন্য কখনো করেছি কিনা। আমার সামনে অনেক পথ খোলা ছিলো, অনেক মানুষ হাজির ছিলো, আমি যে কোনো পথ , যে কোন মানুষকে বেছে নিতে পারতাম, কিন্তু এতোসব বিকল্পের মধ্যে আমি তোমাকেই বেছে নিয়েছিলাম। আমি সব সময় তোমার জন্য তোমার পাশে থেকে গিয়েছি। কিন্তু আমি নিয়ম ভাংতে পারিনি। খুব করে তোমাকে চাইলেও আমি চুপ থাকার তাগিদে আর তোমাকে হারানোর ভয়ে আমি কোনো নিয়ম ভাংতে পারিনি। তীব্র মায়া, তীব্র ভালোবাসা থাকা সত্তেও, একসাথে বুড়ো হবো ভাবলেও কিংবা সমাজ সম্মুক্ষে তীব্র অনুভুতি থাকা সত্তেও আমি তোমাকে জড়িয়ে ধরার নিয়ম ভাংতেব পারিনি। এই সমাজে জীবনের চেয়ে, জীবনের কষ্টের চেয়ে, গোপন যন্ত্রনার চেয়েও নিয়ম যেনো অনেক বড়। অথচ আমরা বলি জীবনের থেকে মুল্যবান কিছুই নাই। আমরা কে কখন কার কাছ থেকে কিভাবে বিদায় নেবো আমরা সেটা জানি না। হয়তো হতে পারে এটাই তোমার জন্য আমার শেষ বার্তা। আমি জানি না আগামীকাল আমাদের জন্য কি অপেক্ষা করছে, কিন্তু আমি শুধু তোমাকে জানাতে চাই যে, তুমি আমার কাছে খুব বিশেষ কেউ ছিলে। হাসিমুখ হোক কিংবা চুপচাপ, তোমার সাথে আমার কাতানো সময়গুলি ছিলো অনবদ্য এবং বাস্তব। যাইই ঘটুক না কেনো, জীবনে সব সময় হাসিখুশী থাকবে যেমন এখন আছো। মনের ভিতরে কখনো কোনো দুক্ষকে বাসা বাধিতে দিও না। মনে রাখবা, আমার মনের ভিতর তোমার জন্য সব সময় একটা স্পেশাল জায়গা ছিলো এবং থাকবে।

যারা কোনো পোষ্য পালন করেন না, তাদের পক্ষে কোনোদিনই বুঝা সম্ভব না একটা বোবা পশুর জন্য মানুষের মন কতটা কাদে। একটা পোষ্যের যন্ত্রনা তার মনীব আর তার সদস্যগন ব্যতিত কেউ তার বোবা ভাষা বুঝতে পারে না, বুঝতে পারে না সেই একই চাহনীতে কত রকমের কথা লুকিয়ে থাকে। কখনো দুষ্টুমি, কখনো আদর, কখনো অভিমান আবার কখনো প্রভুভক্তির সর্বোচ্চ সম্মান।

এই বোবা প্রানীগুলি শুধুমাত্র বোবা প্রানীই না, ওরা আসলে পরিবারের সদস্যদের মতো। আমাদের কোকো ঠিক সেই রকমের একজন সদস্য। অনেক শখ করে একটা জার্মান শেফার্ড এনেছিলাম। ওর বয়স যখন ৩ মাস। আমার ছোট মেয়ে ওর নাম রেখেছিল, কোকো। তখন থেকে কোকো আমার বাসায়। 

মিটুলের কারনে বাসায় কোকোর প্রবেশ নিষেধ, তাই ওকে আমার মতো করে কোনো ট্রেনিংই  দিতে পারিনি। তবে এখন মাঝে মাঝেই কোকো মিটুলের সামনেই বাসায় ঢোকে যায়। মিটুল নিজেও এখন কোকোকে অনেক ভালবাসে এবং আদর করে। কেয়ারটেকার শাহনুরের কাছেই সারাক্ষন থাকে কোকো। ফলে আমার থেকে শাহনুরের প্রতি ওরও কম আনুগত্য নাই। কিন্তু এসব কুকুর তাদের চয়েজ মতো একজন মনীব সিলেক্ট করে। কোকো জানে আমি ওর ১ম মনীব। ফলে আমি দেখেছি যে, যখনই অফিসে যাই কিংবা অফিস থেকে আসি, উচ্ছল ঢেউয়ের মতো আমার গাড়ির আশেপাশে ঘুরঘুর করতে করতে অপেক্ষা করে কখন আমি গাড়ি থেকে বের হবো। যেই না গাড়ি থেকে বের হয়েছি, মনে হয় ছোট বাচ্চার মতো আমার কোলে, পিঠে আছড়ে পড়ে। কি শার্ট পড়েছি, কি জামা পড়েছি সেটা তো ওর কাছে কোনো বিবেচ্য বিষয় নয়, ওরা কাপড় নোংরা করে বটে কিন্তু আনুগত্যের চরম শিখরে ওদের ভালোবাসা। যারা কুকুর পালে না, তারা হয়তো বুঝবেই না কুকুরের আনুগত্য কি জিনিষ। ইদানিং কোকোর আচরনে আমি আরো বেশী ইমোশনাল হয়ে যাচ্ছি। হুট করে ঘরে এসে আমার পাশে শুইয়ে থাকতে চায়, কেউ ওকে বের করতে চাইলে সমস্ত শরীর ছেড়ে দিয়ে এমন একটা ভান করে যেনো-ওর উঠার কোন শক্তি নাই, ধাক্কা দিয়াও তাকে উঠান যায় না। 

এদের মধ্যে কোন প্রকার ছলচাতুরি নাই, কোনো প্রকার অহংকার নাই, কোন বেঈমানি নাই। সকালে রাগ করে শাশন করে অফিসে চলে গেলেও যখন আবার বাসায় ফিরে আসি, তখন ঠিক আগের মতোই সে পথ চেয়ে বসে থাকে কখন আমি বাসায় আসবো। যেই বাসায় পা রাখলাম, সকালের সেই রাগ, সেই শাসন সে ভুলে গিয়ে লেজ নাড়তে নাড়তে শুধু একটা বোবা কথাই যেনো বলতে থাকে-আমি তোমাকে ভালবাসি। একদম নিখুত এবং নিখাদ ভালবাসা। কোকো আমাদের জীবনের হয়তো একটা অংশ বটে কিন্তু আমরা ওর জীবনের সব। 

ওরা বেশীদিন বাচে না। খুব ভয় লাগে আমার মাঝে মাঝে যখন মনে হয় ওরা একদিন আমার থেকে চলে যাবে। আমি এই কথাটা কিছুতেই ভাবতে পারিনা। যখন ও থাকবে না, তখন ওর পরিত্যক্ত সেই খাবারের বাটিটা, ওর গলায় ঝুলে থাকা সেই সবুজ বেলটটা কিংবা ও যে তোষকটায় ঘুমাতো, সেটা দেখলেই আমার বুকের ভিতরটা কিভাবে যে ভেংগে পড়বে, আমি জানি না। তখন হয়তো এটা বারবার আমার মন বলতে থাকবে-প্রিথিবীর নিঃস্বার্থ ভালোবাসাটা আমি হারিয়ে ফেলেছি।  

আমি তোমাকে ভালোবাসি কোকো। খুব ভালোবাসি। তুমি অত্যান্ত ভালো একটা বন্ধু আমার। কিচ্ছু বুঝো না অথচ সব বুঝো।

কোকো এমন একটা বন্ধু আমার যে, আমি সারাদিন ওর সাথে সময় কাটিয়ে দিতে পারি এবং কোন বোরিং লাগে না। কোকো আমার জীবনের একটা অংশ হলেও আমিই কোকোর জীবনে সব। Coco is a part of my life but for her, I am her whole life. I love you Coco. 

Site is created by Major Mohammad Akhtar Hossain, PhD, MSc, MBA, MDS, psc, G+ (Retd). All rights reserved by the author.
A SiteOrigin Theme