১০/১১/২০২১-বিদেশ যামু, খালী কইলেই যাওয়া যায় না। (ফেস বুক)

বিদেশ যামু, খালী কইলেই যাওয়া যায় না। ভিসা পাওয়ার পরে কভিডের কারনে যা ফর্মালিটিজ, তাতেই বিদেশ যাওয়ার খায়েস মিটে যায়। যাই হোক, যেতে তো হবেই, তাই একটা স্বনামধন্য হাসপাতালে কভিড-১৯ টেষ্টে গেলাম, ফর্ম পুরন করলাম, লাইন ধরলাম, টাকা জমা দিলাম, এবার গেলাম স্যাম্পল দেয়ার রুমে। একজন মধ্য বয়সী ভদ্রলোক আর নিম্ন মধ্য বয়সী ভদ্র মহিলা কাচের ওপারে বসে স্যাম্পল নেয়ার জন্য বসে আছেন। আমার জন্য চেয়ার কাচের এপাশে। কোনো অসুবিধা নাই। সম্ভাব্য কভিড কিনা এমন লোকের চেয়ার দূরে থাকাই মংগল। একটু পরে ভদ্রলোক ধীরে ধীরে দুইটা কাঠি বাইর করলেন যার মাথায় স্যাম্পল নেয়ার জন্য তুলার একটা মাথা আছে।

আমি তো কাঠির সাইজ দেইখাই ভয় পাইয়া গেলাম। তিনি আমার গলায় একটা কাঠি ঢোকাইয়া গলা থেকে স্যাম্পল নিলেন। আরেকখান নাকের ভিতর ঢোকাইয়া দিয়া সেখান থেকেও নিলেন। নেওয়ার পর আমি ঊনাকে বললাম-

ভাই, কাঠিটা আরো একটু বড় হইলেই তো একেবারে স্যাম্পল নেয়ার সাথে এন্ডোষ্কোপিকটাও হইয়া যাইতো। ভদ্রলোক হেসে দিয়ে বললেন- ক্যান ভাই, বেশী ভিতরে চলে গেছে? ব্যথা পাইছেন নাকি?

আমিও হেসেই বললাম, নারে ভাই, মজাই লাগছে।

আমি আবার ঊনাকে বললাম- ভাই এখানে তো অনেকেই আসে, যাদের কভিড-১৯ থাকতেও পারে। আপনার কাঠিটা ৬ ফুট লম্বা হইলে কিন্তু এক কামে তিন কাম হইয়া যাইতোঃ (১) এন্ডোষ্কোপি (২) স্যাম্পল নেয়া (৩) আপ্নিও ৬ ফুট দুরুত্তে থেকে নিরাপদে থাকা।

পাশে থাকা ভদ্রমহিলা মনে হয় একট চায়ে চুমুক দিছিলেন। হাসি আর আটকে রাখতে না পেরে মুখে যতুটুকু চা ছিলো, তা বহির্বিসশে চলে এলো।

এর পরের কাহিনীটা আর বললাম না।