২০/০৮/২০২১- কফি সরদার ১-আফগানিস্থানের অবস্থা দেখলে যেটা

আফগানিস্থানের অবস্থা দেখলে যেটা মনে হয় সেটা একটা আতংক। নারীরা আতংকে আছে, শিশুরা আতংকে আছে, আতংকে আছে যারা বুড়ো হয়ে গেছেন তারাও। তাহলে আতংকে নাই কারা?

যদি পুরু সিচুয়েশনটা খুব কাছ থেকে দেখা যায়, বুঝা যাবে, যারা গত ২০ বছর যাবত একটা ভিন্ন আদর্শে গড়ে উঠে এক তরফা যে স্বপ্ন দেখেছে ক্ষমতার, তারা আতংকে নাই। কারন আজ তাদের স্বপ্ন সফল হয়েছে। এই যে তরুন যিনি এখন মনের আনন্দে সুখে আছেন, সেইই কি একমাত্র বেচে থাকা তরুন যে স্বপ্নটা দেখেছিলো? নাকি আরো এমন অনেক তরুন ছিলো যারা আজকের এই স্বপ্ন পুরনের পিছনেও ছুটেছিলো?

এক কথায় যদি বলি- আরো অনেক জীবন জড়িত ছিলো যারা প্রতিনিয়ত আজকের দিনের সাফল্যের জন্য জীবন দিয়েছে। কিন্তু তারা আজ কোথায়? তাদের পরিবার আজ কোথায়? খুব কম মানুষই তাদেরকে মনে রেখেছে। তারা আসলে ছিলো একটা গুটি। এটাও একটা বড় রাজনীতির খেলা। এই রাজনীতির খেলায় কেউ না কেউ এই সব ঝরে যাওয়া তরুনের উপর ভর করেই আজ তারা ক্ষমতার মসন্দে বসেছে। তাদের জন্য হয়তো কিছুক্ষন ‘নীরবতা পালনের” মাধ্যমে কিছুক্ষন গনহারে মনে করা হবে। কিন্তু বেশীরভাগ তরুনেরই কারো নাম মনে রাখার দরকার নাই আজকের শাশকদের। ঠিক এটাই ঘটে যুগে যুগে।

আজকে যে সব রাজনীতিবিদদেরকে কেন্দ্র করে তরুনেরা তাদের শিক্ষা জীবন জলাঞ্জলি দেয়, সময় নষ্ট করে, কিছু ছোট ছোট পদ পাবার জন্য একে অপরের সাথে হানাহানী করে, একটা সময় এরা খুব সহজেই ঝরে যায়। ওদের কেউ মনেও রাখে না।

অথচ যদি সেই হারিয়ে যাওয়া তরুন তাঁর নিজের যোগ্যতায় জ্ঞানে আর শিক্ষায় যদি বড় হতে পারতো, আজ হয়তো সেই তরুনকেই আজকের দিনের রাজনীতিবিদ, কিংবা জনগন খুজে বের করে কোনো না কোনো বড় স্থানে মুল্যায়ন করতো। তাই, নিজেকে গড়ে তোলার কোনো বিকল্প নাই।

আর এটাই হচ্ছে সেই স্বপ্ন যা পুরন করার জন্য দরকার শিক্ষা আর পরিশ্রম। ব্যক্তির চেয়ে দল বড়, আর দলের চেয়ে দেশ বড় কিন্তু সেই দেশকে গড়ে তোলার জন্য আর দলকে সম্রদ্ধ করার জন্য আগে দরকার ভিত্তিকে শক্ত করা। আর সেই ভিত্তি হচ্ছে- ব্যাক্তি। সে যেমন নিজের জন্য শক্তি তেমনি দল বা দেশের জন্য শক্তি।